
সম্প্রতি বাংলাদেশের বিভিন্ন ভ্যাট সার্কেল অফিস থেকে গত পাঁচ বছরের সিএ অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।
এই নোটিশগুলো হঠাৎ করে বা স্বেচ্ছাচারিতার ভিত্তিতে নয়—এগুলো বাংলাদেশের “মূসক ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২” এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা ও এসআরও (SRO) দ্বারা সমর্থিত।
চলুন, এই চাহিদার আইনি ভিত্তি, এর প্রভাব এবং কীভাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ আইন মেনে চলতে পারে, তা এক নজরে দেখে নিই।
🔍 ভ্যাট আইন ২০১২ অনুযায়ী ভ্যাট সার্কেল অফিসের ডিমান্ডের আইনি ভিত্তি
📘 ধারা ১০৭ – হিসাব সংরক্ষণ ও রেকর্ড রাখা
এই ধারায় বলা হয়েছে, সকল ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই:
👉 নির্ধারিত কাগজপত্র সংরক্ষণ না করলে বা জমা না দিলে জরিমানা ও শাস্তি হতে পারে।
📘 ধারা ৯০ – ভ্যাট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অডিট
এই ধারা অনুযায়ী, কমিশনার বা ডিজি বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা:
📘 ধারা ৯০ (ক) – অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা
এই ধারায় বলা হয়েছে:
✅ পূর্ববর্তী বছরগুলোর রিপোর্ট না দিলে, ভ্যাট সার্কেল অফিস আইন অনুযায়ী সেই রিপোর্টগুলো পূনঃচাহিদা (retrospective demand) করতে পারে।
🤖 এই নোটিশ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
যদি আপনি নির্ধারিত সময়ে সাড়া না দেন, তাহলে নিচের সমস্যাগুলো হতে পারে:
📌 আপনি এখনই কী করবেন?
Step 1:
নোটিশটি সতর্কভাবে পড়ে দেখুন
Step 2:
একজন NBR অনুমোদিত VAT কনসালটেন্ট বা চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট নিয়োগ করুন
একজন পেশাদার আপনাকে সাহায্য করতে পারবেন:
🛡️ কেন আপনার একজন NBR অনুমোদিত VAT কনসালটেন্ট বা CA ফার্ম প্রয়োজন?
ভ্যাট সার্কেল অফিসের নোটিশে সাড়া দেওয়া কেবল ডকুমেন্ট পাঠানো নয়—এটি একটি আইনি ও কৌশলগত প্রক্রিয়া। প্রায়ই দরকার হয় ব্যাখ্যা, ব্যাকআপ, এবং অনেক সময় আলোচনা বা আপোষ।
আমরা NBR, কর ও ভ্যাট কমিশনারেট দ্বারা তালিকাভুক্ত ও অনুমোদিত, যা আমাদেরকে আপনার ব্যবসার প্রতিনিধিত্বের জন্য সম্পূর্ণ যোগ্য করে তোলে।
✅ আপনি যদি এরকম কোনও ভ্যাট ডিমান্ড বা নোটিশ পেয়ে থাকেন, তাহলে আর দেরি না করে পেশাদার সহায়তা নিন। কারণ ভ্যাট অফিস সাধারণত দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে।